Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর। মংলাস্থ স্থায়ী বন্দর, পুরাতন মংলা, হিরণপয়েন্ট, খুলনাস্থ রুজভেল্ট জেটি পর্যন্ত এ বন্দরের কার্য পরিধি বিস্থিত। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের দক্ষিন ও পশ্চিমাঞ্চল এ বন্দরের পশ্চাৎভুমির অমত্মর্ভুক্ত। এর সদর দপ্তর মংলায় অবস্থিত। ১৯৫০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পিডি-৪(৪৮)/৫০/১ গেজেট নোটিফিকেশন বলে ১ ডিসেম্বর চালনা পোর্ট নামে এ বন্দর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একই বৎসরে ১১ ই ডিসেম্বর তারিখে পশুর নদীর জয়মনিরগোল নামক স্থানে ‘‘দি সিটি অন লিয়নস্’’ জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে এ বন্দরের গোড়া পত্তন হয়। ১৯৫১ সালের ১৭ই মার্চ জয়মনিরগোল হতে ২২ কিলোমিটার উত্তরে চালনা নামক স্থানে এ্যাংকোরেজ হিসেবে কাজ শুরম্ন করে। পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞ দ্বারা জরীপ কার্য সম্পাদনের পর খুলনা মেট্রোপলিটন শহর হতে ৪২ কিলোমিটার দক্ষক্ষণে পশুর নদীর পূর্ব তীরে মংলা নালা ও পশুর নদীর সঙ্গমস্থলে বন্দরটি স্থানামত্মরিত হয়। ১৯৭৭ সালের মে মাস পর্যমত্ম পোর্ট এ্যাক্ট ১৯০৮ অনুযায়ী এটা ডাইরেক্টরেট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়। পরে চালনা পোর্ট অর্ডিন্যান্স নং-৫৩, ১৯৭৬ বলে এ ডাইরেকটরেট কে স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপামত্মর কওে এ বন্দরকে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ হিসেবে নামকরণ করা হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পরবর্তীতে মংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

ছবি